ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ্‌ (রাহিঃকে সর্বশক্তিমান মহাপরাক্রমশালী রবের এই বাণী সম্পর্কে নিম্নের প্রশ্নগুলো করা হয়েছিলো-

يَا أَيُّهَا النَّاسُ اُعْبُدُوا رَبَّكُمْ
হে মানবজাতিতোমরা তোমাদের রবের ইবাদাত করো (সূরা আল-বাক্বারাহঃ২১)

অতএবইবাদাত এবং এর শাখা-প্রশাখাগুলো কীএবং সবগুলো দ্বীনই কি এর অন্তর্ভূক্ত?এবং উবুদিয়্যাতের হাকীকাত কীএবং এটাই(উবুদিয়্যাতকি ইহকাল এবং পরকালে সর্বোচ্চ মাকাম নাকি এর উর্ধ্বেও কিছু আছে?
উত্তরে তিনি বলেন-

সকল প্রশংসা জগৎ সমূহের রবের জন্য। ইবাদাত শব্দটি এমন সকল বাহ্যিক বা অন্তর্নিহিত কথা এবং কর্মসমূহকে অন্তর্ভূক্ত করে যা আল্লাহ তায়ালা ভালোবাসেন এবং অনুমোদন করেন। তাই সালাতযাকাতসাওমহাজ্জকথা-বার্তায় সত্যবাদিতাবিশ্বস্ততামাতা-পিতার প্রতি এহ্‌সানআত্নীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করে চলাওয়াদাসমূহ পূর্ণ করাসৎকাজে আদেশ এবং অসৎকাজে নিষেধ করাকাফির এবং মুনাফিকদের বিরুদ্ধে জিহাদ করা এবং প্রতিবেশীইয়াতিমমিসকীনমুসাফির এবং অধীনস্থদের (মানুষ কিংবা পশুউপকার করাদোযিক্‌রকোরআন তিলাওয়াত এবং এর ন্যায় সবকিছুই ইবাদাতের অন্তর্ভূক্ত। অনুরুপভাবে আল্লাহ  তার রাসূল(সাঃকে ভালোবাসাআল্লাহকে ভয় করা  অনুতপ্ত হয়ে তাঁর নিকট তাওবাহ করাতাঁর জন্য দ্বীনকে খালিস করাতাঁর আদেশের প্রতি ধৈর্য্যধারণ করাতাঁর নিয়ামতের শোকর আদায় করাতাঁর বিধানের প্রতি সন্তষ্ট থাকাতাঁর উপর তাওয়াক্কুল(ভরসা)করাতাঁর রহমতের আশা করা  তাঁর আযাবের ভয় করা এবং এর অনুরুপ কিছুও আল্লাহ তায়ালার ইবাদাতের অন্তর্ভূক্ত।
মোটকথা,আল্লাহর তায়ালার ইবাদাত যা তার নিকট পছন্দনীয় এবং তাকে সন্তুষ্ট করে কেননা  ইবাদাতের জন্যই তিনি মাখলূককে সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহ (আযযা ওয়া জাল্লবলেনঃ

وَمَا خَلَقْت الْجِنَّ وَالْإِنْسَ إلَّا لِيَعْبُدُونِ
আমি জ্বীন এবং মানবজাতিকে কেবল আমার ইবাদাতের জন্যই সৃষ্টি করেছি(সূরা আয্‌-যারিয়াতঃ৫৬)
(মাজমূ আল-ফাতাওয়াঃ১০/১৪৯)সুতরাং ইবাদাতের অনেক প্রকারভেদ রয়েছে। সব ধরণের ইবাদাতই কেবলমাত্র আল্লাহর জন্যই সম্পাদন করতে হবে এবং তাঁর সাথে আর কারো ইবাদাত করা যাবেনা। এখানে আমরা এর কিছু প্রকারভেদ কোরআনুল কারীম থেকে দলীল সমেত উল্লেখ করছিঃ
সালাতঃ
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেনঃ

وَأَقِيمُوا الصَّلاةَ وَآتُوا الزَّكَاةَ
এবং তোমরা সালাত প্রতিষ্ঠা করো এবং যাকাত দাও (সূরা আল-বাক্বারাহঃ৪৩)

এবং তিনি আরো বলেনঃ

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا ارْكَعُوا وَاسْجُدُوا
হে ঈমানদারগণ,তোমরা রুকু করো এবং সিজদা করো (সূরা আল-হাজ্জঃ৭৭)

অতএবরুকু-সিজদাও ইবাদাতের অন্তর্ভূক্ত।
দোআঃ 
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেনঃ

وَقَالَ رَبُّكُمُ ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ
এবং তোমাদের রব বলেন,তোমরা আমাকে ডাকোআমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেবো (সূরা আল-গাফির ৬০)

জবেহ্‌(কুরবাণী)করাঃ
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেনঃ

فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانْحَرْ
অতএব,আপনার রবের উদ্দেশ্যে সালাত আদায় করুন এবং কুরবাণী করুন (সূরা আল-কাওসারঃ২)

আল-খাওফ(আল্লাহর ভয়):
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেনঃ

إِنَّمَا ذَلِكُمُ الشَّيْطَانُ يُخَوِّفُ أَوْلِيَاءَهُ فَلا تَخَافُوهُمْ وَخَافُونِ إِنْ كُنْتُمْ مُؤْمِنِينَ
এরাই হচ্ছে শয়তানএরা নিজেদের বন্ধুদের ব্যাপারে ভীতি প্রদর্শন করে। সুতরাং তোমরা তাদের ভয় করো না আমাকেই ভয় কর যদি তমরা মুমিন হয়ে থাকো (সূরা আলু-ইমরানঃ১৭৫)

আত-তাওয়াক্কুল(আল্লাহর উপর ভরসা করা): 
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেনঃ

وَعَلَى اللَّهِ فَتَوَكَّلُوا إِنْ كُنْتُمْ مُؤْمِنِينَ
এবং তোমরা আল্লাহরই উপর ভরসা করো যদি মুমিন হয়ে থাকো(সূরা আল-মায়িদাহঃ২৩)

অতএবতাওয়াক্কুল এক প্রকার ইবাদাত এবং এটি হলো উত্তম কিছু অর্জন এবং মন্দ কিছু অপসারনের ক্ষেত্রে অন্তরে আল্লাহর উপর ভরসা রাখা।
আল-ইস্তিগফার(ক্ষমা প্রার্থনা): 
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেনঃ

وَاسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ ثُمَّ تُوبُوا إِلَيْهِ إِنَّ رَبِّي رَحِيمٌ وَدُودٌ
আর তোমাদের পালনকর্তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো এবং তাঁরই দিকে ফিরে এসো নিশ্চয়ই আমার রব খুবই মেহেরবান,অতিস্নেহময় (সূরা হুদঃ৯০)

আল-ইনাবাহ্‌(অনুতাপের সহিত আল্লাহ অভিমুখী হওয়া): 
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেনঃ

وَأَنِيبُوا إِلَى رَبِّكُمْ وَأَسْلِمُوا لَهُ مِنْ قَبْلِ أَنْ يَأْتِيَكُمُ الْعَذَابُ ثُمَّ لا تُنْصَرُونَ
তোমরা তোমাদের পালনকর্তার অভিমূখী হও এবং তাঁর আজ্ঞাবহ হও তোমাদের কাছে আযাব আসার পূর্বে। এরপর তোমরা সাহায্যপ্রাপ্ত হবে না (সূরা আয্‌-যুমারঃ৫৪)

আল-ইস্তিআযাহ্‌(আশ্রয় প্রার্থনা করা): 
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেনঃ

قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ
বলুন,আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি প্রভাতের রবের (সূরা আল-ফালাক্বঃ )

মাল  জান দ্বারা জিহাদ করাঃ 
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেনঃ

انْفِرُوا خِفَافاً وَثِقَالاً وَجَاهِدُوا بِأَمْوَالِكُمْ وَأَنْفُسِكُمْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ
তোমরা অভিযানে বের হয়ে পড়ো (রণসম্ভারকম হোক বা বেশী হোক,এবং মাল  জান দিয়ে আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করো।এটাই তোমাদের জন্য উত্তম,যদি তোমরা জানতে! (সূরা আত-তাওবাহঃ৪১)

এবং ইবাদাতের প্রকারভেদের মধ্যে আরো রয়েছেঃ আর-রাঘবাহ্‌, (অনুরাগ,আগ্রহ), আর-রাহবাহ্‌ (ভয়-ভীতি), আশ-শুক্‌র (কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা), কোরআন তিলাওয়াতআল্লাহর যিক্‌রসিয়াম এবং আরো অন্যান্য ইবাদাতসমূহ।
আল্লাহর নাযিলকৃত বিধান দ্বারা বিচার-ফয়সালাঃ 
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেনঃ

وَأَنِ احْكُمْ بَيْنَهُمْ بِمَا أَنْزَلَ اللَّهُ وَلا تَتَّبِعْ أَهْوَاءَهُمْ وَاحْذَرْهُمْ أَنْ يَفْتِنُوكَ عَنْ بَعْضِ مَا أَنْزَلَ اللَّهُ إِلَيْكَ
আর আমি আদেশ করছি যেআপনি তাদের পারস্পরিক ব্যাপারাদিতে আল্লাহ যা নাযিল করেছেন তদনুযায়ী ফয়সালা করুনতাদের প্রবৃত্তির অনুসরণ করবেন না এবং তাদের থেকে সতর্ক থাকুন-যেন তারা আপনাকে এমন কোন নির্দেশ থেকে বিচ্যুত না করেযা আল্লাহ আপনার প্রতি নাযিল করেছেন(সূরা আল-মায়িদাহঃ৪৯)

এবং তিনি আরো বলেনঃ

إِنَّا أَنْزَلْنَا إِلَيْكَ الْكِتَابَ بِالْحَقِّ لِتَحْكُمَ بَيْنَ النَّاسِ بِمَا أَرَاكَ اللَّهُ
নিশ্চয় আমি আপনার প্রতি সত্য কিতাব অবতীর্ণ করেছিযাতে আপনি মানুষের মধ্যে ফয়সালা করেনযা আল্লাহ আপনাকে হৃদয়ঙ্গম করান। আপনি বিশ্বাসঘাতকদের পক্ষ থেকে বিতর্ককারী হবেন না (সূরা আন-নিসাঃ১০৫)

আল্লাহ  তার রাসূল(সঃএর নিকট বিচার-ফয়সালা কামনাঃ 
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেনঃ

فَإِنْ تَنَازَعْتُمْ فِي شَيْءٍ فَرُدُّوهُ إِلَى اللَّهِ وَالرَّسُولِ إِنْ كُنْتُمْ تُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآَخِرِ
তারপর যদি তোমরা কোন বিষয়ে মতবিরোধে প্রবৃত্ত হওতাহলে তা আল্লাহ  তাঁর রসূলের প্রতি প্রত্যর্পণ কর-যদি তোমরা আল্লাহ  কেয়ামত দিবসের উপর বিশ্বাসী হয়ে থাক। আর এটাই কল্যাণকর এবং পরিণতির দিক দিয়ে উত্তম" (সূরা আন-নিসাঃ৫৯)

এবং তিনি আরো বলেনঃ

وَمَا اخْتَلَفْتُمْ فِيهِ مِنْ شَيْءٍ فَحُكْمُهُ إِلَى اللَّهِ
তোমরা যে বিষয়েই মতভেদ করতার ফয়সালা আল্লাহর নিকট। (সূরা আশ-শুরাঃ ১০)

এবং তিনি বলেনঃ

فَلا وَرَبِّكَ لا يُؤْمِنُونَ حَتَّى يُحَكِّمُوكَ فِيمَا شَجَرَ بَيْنَهُمْ ثُمَّ لا يَجِدُوا فِي أَنْفُسِهِمْ حَرَجاً مِمَّا قَضَيْتَ وَيُسَلِّمُوا تَسْلِيماً
নাতোমার রবের কসমতারা কখনোই ঈমানদার হবে নাযতক্ষণ না তাদের মধ্যে সৃষ্ট যাবতোয় বিবাদের ব্যাপারে তোমাকে বিচারক মেনে না নেবে অতঃপর তোমার মীমাংসার ব্যাপারে নিজের মনে কোন রকম সংকীর্ণতা অনুভব করবে না এবং তা হূষ্টচিত্তে কবুল করে নেবে। (সূরা আন-নিসাঃ৬৫)

আদেশ-নিষেধে আল্লাহর আনুগত্যঃ 
এর কিছু উদাহরণ হলো-যেমন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেছেনঃ

فَكُلُوا مِمَّا ذُكِرَ اسْمُ اللَّهِ عَلَيْهِ إِنْ كُنْتُمْ بِآياتِهِ مُؤْمِنِينَ
অতঃপর যে জন্তুর উপর আল্লাহর নাম উচ্চারিত হয়তা থেকে ভক্ষণ কর যদি তোমরা তাঁর বিধানসমূহে বিশ্বাসী হও (সূরা আল-আনআমঃ১১৮)

অতএব মহান আল্লাহ আমাদের সেই সকল পশু ভক্ষনের অনুমতি দিয়েছেন যেগুলোকে আল্লাহর নামে জবেহ করা হয়েছে। সুতরাং,আল্লাহর অনুগত হয়ে এসব পশুকে হালাল হিসেবে মেনে নেওয়াই আলাহর ইবাদাত। এবং আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেনঃ

إِنَّمَا حَرَّمَ عَلَيْكُمُ الْمَيْتَةَ وَالدَّمَ وَلَحْمَ الْخِنْزِيرِ وَمَا أُهِلَّ بِهِ لِغَيْرِ اللَّهِ
তিনি তোমাদের উপর হারাম করেছেনমৃত জীবরক্তশুকরের মাংস এবং সেসব জীব-জন্তু যা আল্লাহ ব্যাতীত অপর কারো নামে উৎসর্গ করা হয় (সূরা আল-বাক্বারাহঃ১৭৩)

অতএব,মৃত জীব,রক্ত,শুকরের মাংস এবং আল্লাহ ব্যতীত অন্যের নামে উৎসর্গকৃত জীব-জন্তুকে হারাম(নিষিদ্ধগণ্য করাই আল্লাহর ইবাদাত। এবং আল্লাহ আরো বলেনঃ

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِنَّمَا الْخَمْرُ وَالْمَيْسِرُ وَالْأَنْصَابُ وَالْأَزْلامُ رِجْسٌ مِنْ عَمَلِ الشَّيْطَانِ فَاجْتَنِبُوهُ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ
হে মুমিনগণএই যে মদজুয়াপ্রতিমা এবং ভাগ্য-নির্ধারক শরসমূহ এসব শয়তানের অপবিত্র কার্য বৈ তো নয়। অতএবএগুলো থেকে বেঁচে থাক-যাতে তোমরা সফল হও(সূরা আল-মায়িদাহঃ৯০)

সুতরাং আল্লাহর আনুগত্য করে এগুলোকে নিষিদ্ধ গণ্য করাও আল্লাহর ইবাদাতের অন্তর্ভূক্ত। তদ্রুপ আল্লাহ দেয়া শারীআহ(আইন-বিধানব্যতীত অন্যের তৈরী আইন-বিধানের আনুগত্য করা আল্লাহ ব্যতীত অন্য বিধানদাতার ইবাদাতের শামিল।
আল্লাহ নির্ধারিত শাস্তি প্রয়োগে আনুগত্যঃ 
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেনঃ

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الْقِصَاصُ فِي الْقَتْلَى
بِالْأُنْثَى الْحُرُّ بِالْحُرِّ وَالْعَبْدُ بِالْعَبْدِ وَالْأُنْثَى
হে ঈমানদারগনতোমাদের প্রতি নিহতদের ব্যাপারে কিসাস(তথা প্রতিশোধের নীতিগ্রহণ করা বিধিবদ্ধ করা হয়েছে। স্বাধীন ব্যক্তির বদলে স্বাধীন ব্যক্তি,দাসের বদলে দাস এবং নারীর বদলে নারী (সূরা আল-বাক্বারাহঃ১৭৮)

এবং মহান আল্লাহ আরো বলেনঃ

وَالَّذِينَ يَرْمُونَ الْمُحْصَنَاتِ ثُمَّ لَمْ يَأْتُوا بِأَرْبَعَةِ شُهَدَاءَ فَاجْلِدُوهُمْ ثَمَانِينَ جَلْدَةً
যারা সতী-সাধ্বী নারীর প্রতি অপবাদ আরোপ করে অতঃপর স্বপক্ষে চার জন পুরুষ সাক্ষী উপস্থিত করে নাতাদেরকে আশিটি বেত্রাঘাত করবে এবং কখনও তাদের সাক্ষ্য কবুল করবে না। এরাই না-ফারমান। (সূরা আন-নূরঃ৪)

এবং আল্লাহ আরো বলেনঃ

الزَّانِيَةُ وَالزَّانِي فَاجْلِدُوا كُلَّ وَاحِدٍ مِّنْهُمَا مِائَةَ جَلْدَةٍ وَلَا تَأْخُذْكُم بِهِمَا رَأْفَةٌ فِي دِينِ اللَّهِ إِن كُنتُمْ تُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ وَلْيَشْهَدْ عَذَابَهُمَا طَائِفَةٌ مِّنَ الْمُؤْمِنِينَ
ব্যভিচারিণী নারী ব্যভিচারী পুরুষতাদের প্রত্যেককে একশ করে বেত্রাঘাত কর। আল্লাহর বিধান কার্যকর কারণে তাদের প্রতি যেন তোমাদের মনে দয়ার উদ্রেক না হয়যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি  পরকালের প্রতি বিশ্বাসী হয়ে থাক। মুসলমানদের একটি দল যেন তাদের শাস্তি প্রত্যক্ষ করে (সূরা আন-নূরঃ২)

এবং আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেনঃ

وَالسَّارِقُ وَالسَّارِقَةُ فَاقْطَعُوا أَيْدِيَهُمَا
পুরুষ বা নারী-এদের যে কেউই চুরি করে,তাদের হাত দুটো কেটে ফেলো(সূরা আল-মায়িদাহঃ৩৮)

এবং আল্লাহর রাসূল(সাঃএর বাণীঃ

من بَدَّلَ دِينَهُ فَاقْتُلُوهُ
(ইসলাম হতেদ্বীন পরিবর্তনকারীকে হত্যা করো (সাহীহ আল-বুখারী)

এবং উল্লিখিত বিষয়গুলো ছাড়াও ইবাদাতের আরো কিছু প্রকারভেদ সর্বশক্তিমান আল্লাহ তার কিতাবে যা তিনি তার রাসূল(সঃপ্রতি নাযিল করেছেন এবং রাসূল(সঃতার সুন্নাহয় বিধিবদ্ধ করেছেন। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার অবতীর্ণ শ্রেষ্ঠ বিষয় হচ্ছে তাওহীদ এবং সবচেয়ে বড়  ঘৃণ্য যে বিষয় তিনি নিষিদ্ধ করেছেন তা হচ্ছে শিরক


Read More